Skip to main content

Posts

রেডিও প্যারাবলিক অ্যান্টেনার মাধ্যমে কিভাবে সিগন্যালকে আদান-প্রদান করা হয়? কৌশল বর্ননা করো এবং নির্মাণকৌশল ট্রান্সমিশন ফ্রিকুয়েলি বর্ননা করো

    রেডিও প্যারাবলিক অ্যান্টেনা :  সিস্টেমে ছােট একটি প্যারাবলিক অ্যান্টেনার মাধ্যমে সিগন্যালকে আদান-প্রদান করা গেলেও এটি সামান্য কয়েকজন ব্যক্তিদেরনিকট পৌছায় মাত্র। কিন্তু একটি বৃহৎ জনগােষ্টি বা জাতির কথা বিবেচনা করলে বিস্তৃত এলাকাজুড়ে সিগন্যাল প্রেরণ করতে হয় । আমরা জানি, তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সাথে অ্যান্টেনার উচ্চতা ব্যস্তানুপাতে পরিবর্তন হয়। আবার, একটি নির্দিষ্ট বিস্তৃত ভৌগােলিক সীমানায় সকল জনগণের জন্য সার্ভিস প্রদান করতে হলে এমন একটি সীমানায় সিগন্যাল প্রেরণ করতে হবে, যাতে ছােট বা সহজে ব্যবহারযােগ্য অ্যান্টেনার মাধ্যমে সিগন্যালকে রিসিভ করা যায়। এক্ষেত্রে ইয়াগি অ্যান্টেনা বহুল প্রচলিত। এখন কথা হলাে এই ইয়াগি অ্যান্টেনায় গ্রহণ উপযােগী সিগন্যাল প্রেরণ করতে হলে ট্রান্সমিটিং অ্যান্টেনার অনেক উচ্চতায় স্থাপন করতে হবে। এতটুকু আলােচনা থেকে অন্তত এটুকু বুঝা যায়, অধিক উচ্চতায় অ্যান্টেনা স্থাপন করলে ট্রান্সমিটকৃত সিগন্যাল বিস্তৃত এলাকাজুড়ে ছড়ানাে সম্ভব। তােমরা নিশ্চই মােবাইল/টেলিফোন কোম্পানি কতৃক স্থাপনকৃত মােবাইল বেস স্টেশন দেখেছ? আমরা এক কথায় এগুলােকে বলে থাকি মােবাই...

টেলিভিশন সম্প্রচার কৌশল বর্ননা করো গণযােগাযােগ মাধ্যমে ব্যবহার এবং টেলিভিশন সম্প্রচার কৌশলের বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্ননা করো

টেলিভিশন সম্প্রচার কৌশল : সম্প্রচার এমন একটি কৌশল, যার মাধ্যমে কোনাে একটি ইলেকট্রনিক গণযােগাযােগ মাধ্যমে ব্যবহার করে বিচ্ছিন্ন দর্শকদের অডিও বা ভিডিও সামগ্রী বিতরণ করা যায়। টেলিভিশনের মূল ধারণা হচ্ছে শব্দ ও ছবিকে বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে। ট্রান্সমিট করা। মূলত তিনটি প্রযুক্তির সমন্বয়ে সৃষ্ট হয় টেলিভিশনের আউটপুট টিভি ক্যামেরা, যার কাজ হচ্ছে শব্দ ও ছবিকে তড়িৎ চৌম্বকীয় (ইলেকট্রোম্যাগনেটিক) সংকেতে রূপান্তর করা। টিভি ট্রান্সমিটার যার কাজ হচ্ছে এই সংকেতকে বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে প্রেরণ করা এবং টিভি সেট, যার কাজ হচ্ছে এই সংকেত গ্রহণ করে তাকে আগের ছবি ও শব্দে রূপান্তরিত করা। সাধারণত ক্যামেরা দিয়ে তােলা ছবিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়  যথা- ১। স্থিরচিত্র, ২। চলচিচত্র। স্থিরচিত্রের জন্য সাধারণ ক্যামেরা ও চলচ্চিত্রের জন্য মুভি/ভিডিও ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়। প্রকৃতপক্ষে অনেকগুলাে স্থিরচিত্রের সমন্বয়ে সৃষ্টি হয় চলচ্চিত্র । ভিডিও ক্যামেরা দ্রুতগতিতে পরপর অনেকগুলাে স্থিরচিত্র (24 Pic/sec or more) গ্রহণ করে। এই ছবিগুলােকে যখন একই গতিতে পরপর প্রদর্শন করা হয় তখন আমাদের চোখে এগুলাে চলচ্চিত্র বলে মন...

টেলিভিশন সম্প্রচার কৌশল বর্ননা করো গণযােগাযােগ মাধ্যমে ব্যবহার এবং টেলিভিশন সম্প্রচার কৌশলের বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্ননা করো

টেলিভিশন সম্প্রচার কৌশল : সম্প্রচার এমন একটি কৌশল, যার মাধ্যমে কোনাে একটি ইলেকট্রনিক গণযােগাযােগ মাধ্যমে ব্যবহার করে বিচ্ছিন্ন দর্শকদের অডিও বা ভিডিও সামগ্রী বিতরণ করা যায়। টেলিভিশনের মূল ধারণা হচ্ছে শব্দ ও ছবিকে বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে। ট্রান্সমিট করা। মূলত তিনটি প্রযুক্তির সমন্বয়ে সৃষ্ট হয় টেলিভিশনের আউটপুট টিভি ক্যামেরা, যার কাজ হচ্ছে শব্দ ও ছবিকে তড়িৎ চৌম্বকীয় (ইলেকট্রোম্যাগনেটিক) সংকেতে রূপান্তর করা। টিভি ট্রান্সমিটার যার কাজ হচ্ছে এই সংকেতকে বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে প্রেরণ করা এবং টিভি সেট, যার কাজ হচ্ছে এই সংকেত গ্রহণ করে তাকে আগের ছবি ও শব্দে রূপান্তরিত করা। সাধারণত ক্যামেরা দিয়ে তােলা ছবিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়  যথা- ১। স্থিরচিত্র, ২। চলচিচত্র। স্থিরচিত্রের জন্য সাধারণ ক্যামেরা ও চলচ্চিত্রের জন্য মুভি/ভিডিও ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়। প্রকৃতপক্ষে অনেকগুলাে স্থিরচিত্রের সমন্বয়ে সৃষ্টি হয় চলচ্চিত্র । ভিডিও ক্যামেরা দ্রুতগতিতে পরপর অনেকগুলাে স্থিরচিত্র (24 Pic/sec or more) গ্রহণ করে। এই ছবিগুলােকে যখন একই গতিতে পরপর প্রদর্শন করা হয় তখন আমাদের চোখে এগুলাে চলচ্চিত্র বলে...

রােধক ট্রানজিস্টর লজিক ও এর ব্যবহার।

      রােধক ট্রানজিস্টর লজিক :  রােধক এবং ট্রানজিস্টর ব্যবহার করে RTL লজিক তৈরি করা হয়। 3.8v এই লজিকের সাপ্লাই ভােল্টেজ। NOR গেইটকে বেসিক গেইট হিসাবে ব্যবহার করা হয়। এই পরিবারের Propagation delay অর্থাৎ ইনপুটে সিগন্যাল প্রয়ােগ করলে আউটপুট পেতে যতটুকু সময় লাগে তা খুবই কম। ডায়ােড ট্রানজিস্টর লজিক :  এ লজিক পরিবারে ডায়ােড এবং ট্রানজিস্টরের সমন্বয়ে লজিক গেইটসমূহ তৈরি করা হয়। লজিক সার্কিট উদ্ভাবনের প্রাথমিক পর্যায়ে এ পরিবারটি বেশ জনপ্রিয় ছিল। এ পরিবারের উল্লেখযােগ্য বৈশিষ্ট্য হল, তারা নয়েজের দ্বারা খুব বেশি আক্রান্ত হয় না। তবে তাদের Propagation delay, RTL এর তুলনায় প্রায় দেড় গুণ। ট্রানজিস্টর ট্রানজিস্টর লজিক :  এই পরিবারে ট্রানজিস্টর ব্যবহার করে লজিক কাজ সম্পাদন করা হয়। তবে ট্রানজিস্টরের সাথে রােধক, ধারক ইত্যাদিওব্যবহার করতে হয়। বর্তমানে এটি বহুল ব্যবহৃত একটি লজিক পরিবার। এর জন্য NAND গেইটকে বেসিক গেইট হিসাবে ব্যবহারকরা হয়। এই গেইটের Propagation delay এবং আউটপুটে নয়েজের প্রভাব খুবই কম। ইন্টিগ্রেটেড ইনজেকশন লজিক :  এই লজিকের ফেব্রিকেশন অত্...

রােধক ট্রানজিস্টর লজিক ও এর ব্যবহার।

  রােধক ট্রানজিস্টর লজিক :  রােধক এবং ট্রানজিস্টর ব্যবহার করে RTL লজিক তৈরি করা হয়। 3.8v এই লজিকের সাপ্লাই ভােল্টেজ। NOR গেইটকে বেসিক গেইট হিসাবে ব্যবহার করা হয়। এই পরিবারের Propagation delay অর্থাৎ ইনপুটে সিগন্যাল প্রয়ােগ করলে আউটপুট পেতে যতটুকু সময় লাগে তা খুবই কম। ডায়ােড ট্রানজিস্টর লজিক :  এ লজিক পরিবারে ডায়ােড এবং ট্রানজিস্টরের সমন্বয়ে লজিক গেইটসমূহ তৈরি করা হয়। লজিক সার্কিট উদ্ভাবনের প্রাথমিক পর্যায়ে এ পরিবারটি বেশ জনপ্রিয় ছিল। এ পরিবারের উল্লেখযােগ্য বৈশিষ্ট্য হল, তারা নয়েজের দ্বারা খুব বেশি আক্রান্ত হয় না। তবে তাদের Propagation delay, RTL এর তুলনায় প্রায় দেড় গুণ। ট্রানজিস্টর ট্রানজিস্টর লজিক :  এই পরিবারে ট্রানজিস্টর ব্যবহার করে লজিক কাজ সম্পাদন করা হয়। তবে ট্রানজিস্টরের সাথে রােধক, ধারক ইত্যাদিওব্যবহার করতে হয়। বর্তমানে এটি বহুল ব্যবহৃত একটি লজিক পরিবার। এর জন্য NAND গেইটকে বেসিক গেইট হিসাবে ব্যবহারকরা হয়। এই গেইটের Propagation delay এবং আউটপুটে নয়েজের প্রভাব খুবই কম। ইন্টিগ্রেটেড ইনজেকশন লজিক :  এই লজিকের ফেব্রিকেশন অত্যন্ত ...

ফ্রিল্যানসিং এর ধারণা ও প্রােফাইল তৈরি করা।

      ফ্রিল্যান্সিং প্রােফাইল প্রদর্শন কৌশলঃ কোথাও চাকরির আবেদন করতে হলে যেমন প্রতিষ্ঠানের নিকট আপনার বায়ােডাটা জমা দিতে হয় ঠক তেমনি ফিশিং করতে হলেও একটি “ভার্চুয়াল” বায়ােডাটার প্রয়ােজন হয়। এখানে সুবিধা হচ্ছে আপনাকে বার বার বায়ােডাটা জমা দিতে হবে না। শুধু নির্ধারিত মার্কেটপ্লেসে একটি প্রােফাইল তৈরি করতে হবে। ক্লায়েন্ট/বায়ার নিজ উদ্যোগে আপনার প্রােফাইল দেখে নিবে। বলে রাখা ভালাে যে, ফ্রিল্যান্সিং কখনােই কোনাে চাকরি নয় বরং তার চাইতেও ভালাে কিছু। তবে নিজেকে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে প্রমাণ করার পূর্বশর্ত হচ্ছে মার্কেটপ্লেসে একটি সাজানাে-গােছানাে প্রােফাইল প্রস্তুত করা। অগােছালাে বা অপূর্ণ প্রােফাইল দিয়ে হয়ত টুকটাক কিছু কাজ পাওয়া যাবে কিন্তু চূড়ান্ত সফলতা পাওয়া সম্ভব নয়। কীভাবে একটি সুন্দর প্রােফাইল তৈরি করা যায় সে সম্পর্কে নিম্নে বর্ণনা করা হলাে :প্রােফাইল পিকচার বা ছবি ও আপনার ফ্রিল্যান্সার প্রােফাইলে ঢুকেই সর্বপ্রথম যা চোখে পড়ে তা হচ্ছে আপনার ছবি। প্রােফাইল পিকচার হিসাবে কোনাে ছবি বাছাই করার ক্ষেত্রে সতর্ক হােন। মনগড়াভাবে যেনতেন ছবি ব্যবহার থেকে বিরত ...

ফ্রিল্যানসিং এর ধারণা ও প্রােফাইল তৈরি করা।

  ফ্রিল্যান্সিং প্রােফাইল প্রদর্শন কৌশলঃ কোথাও চাকরির আবেদন করতে হলে যেমন প্রতিষ্ঠানের নিকট আপনার বায়ােডাটা জমা দিতে হয় ঠক তেমনি ফিশিং করতে হলেও একটি “ভার্চুয়াল” বায়ােডাটার প্রয়ােজন হয়। এখানে সুবিধা হচ্ছে আপনাকে বার বার বায়ােডাটা জমা দিতে হবে না। শুধু নির্ধারিত মার্কেটপ্লেসে একটি প্রােফাইল তৈরি করতে হবে। ক্লায়েন্ট/বায়ার নিজ উদ্যোগে আপনার প্রােফাইল দেখে নিবে। বলে রাখা ভালাে যে, ফ্রিল্যান্সিং কখনােই কোনাে চাকরি নয় বরং তার চাইতেও ভালাে কিছু। তবে নিজেকে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে প্রমাণ করার পূর্বশর্ত হচ্ছে মার্কেটপ্লেসে একটি সাজানাে-গােছানাে প্রােফাইল প্রস্তুত করা। অগােছালাে বা অপূর্ণ প্রােফাইল দিয়ে হয়ত টুকটাক কিছু কাজ পাওয়া যাবে কিন্তু চূড়ান্ত সফলতা পাওয়া সম্ভব নয়।   কীভাবে একটি সুন্দর প্রােফাইল তৈরি করা যায় সে সম্পর্কে নিম্নে বর্ণনা করা হলাে :প্রােফাইল পিকচার বা ছবি ও আপনার ফ্রিল্যান্সার প্রােফাইলে ঢুকেই সর্বপ্রথম যা চোখে পড়ে তা হচ্ছে আপনার ছবি। প্রােফাইল পিকচার হিসাবে কোনাে ছবি বাছাই করার ক্ষেত্রে সতর্ক হােন। মনগড়াভাবে যেনতেন ছবি ব্যবহার থেকে বিরত ...

পাইথন প্রােগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের ইতিহাস।

  পাইথন প্রােগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের ইতিহাস : পাইথন একটি হাই লেভেল, আবজেক্ট অরিয়েন্টেড, জেনারেল পারপাজ, ইন্টারপ্রিটেড, ইন্টারেকটিভ, সহজবােধ্য, উদ্দেশ্য কেন্দ্রিক ও উচ্চমানের প্রােগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ। পাইথনে স্ট্রাকচার্ড প্রােগ্রামিং, অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রােগ্রামিং ও ফাংশনাল প্রােগ্রামিং করা যায়। 'Monty Python Flying Circus' নামের একটি টিভি শাে'র নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়; 'পাইথন' সাপের নাম অনুসারে নয়। এর সাের্স কোড এর অন্তর্ভুক্ত। পাইথনের কোর সিনট্যাক্স ও সিমান্টিক্স খুবই সংক্ষিপ্ত এবং এর স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ। পাইথন ল্যাংগুয়েজটিকে এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে সহজে বুঝা যায় এটি অন্যান্য প্রােগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ-এর মতাে যতি চিহ্ন (কমা, ব্র্যাকেট ইত্যাদি) নির্ভর নয়, বরং কিছু ইংরেজি কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করে ল্যাংগুয়েজটি তৈরি করা হয়েছে এবং এর শব্দবিন্যাসও তুলনামূলক সহজ। এটি একটি পুরােপুরি ডাইনামিক প্রােগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ অর্থাৎ পাইথনে প্রতিটি ভেরিয়েবলের জন্য আলাদা আলাদা ডাটা টাইপ ডিক্লেয়ার করতে হয় না। যেখানে সি, সি++, জাভা’র মতাে ল্যাংগুয়েজ...

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বিস্তারিত বর্ননা।

      কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বিস্তারিত বর্ননা : কম্পিউটার হচ্ছে এমন এক অত্যাশ্চর্য ক্ষমতাসম্পন্ন যন্ত্র, যার মাধ্যমে মানবজীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রায় সকল সমস্যার সমাধান করা যায়। সমস্যা সমাধানের জন্য এক্ষেত্রে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। হার্ডওয়্যার হচ্ছে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আর সফটওয়্যার হচ্ছে সে-সব যন্ত্রাংশ চালাবার জন্য লেখা নির্দিষ্ট সংকেত বা কোড। হার্ডওয়্যার কীভাবে কী করবে, সেটি নির্ধারণ করে সফটওয়্যার, যাকে আমরা কম্পিউটার প্রােগ্রামও বলে থাকি। কম্পিউটার প্রােগ্রাম হচ্ছে এক বিশেষ ধরনের ভাষায় লেখা সংকেত, যেগুলো সাজানাে থাকে এমনভাবে যাতে করে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সহজেই বুঝতে পারে তাকে ঠিক কোনাে কাজটা কীভাবে করতে হবে। পৃথিবীতে মানুষের সাথে মানুষের যােগাযােগের জন্য যেমন অনেক ভাষা আছে, তেমনিকম্পিউটারের জগতেও অনেক ভাষা আছে, যেগুলােকে প্রােগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বলে। যেমন-  সি, সি++, জাভা, পাইথন, পিএইচপি,ভিজুয়াল বেসিক, জাভা, সি শার্প, পার্ল, পিএইচপি, পাইথন, রুবি ইত্যাদি। এসব ভাষার যে-কোনাে একটি বেছে নিয়ে সেই ভাষার নিয়মকানুন ম...

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বিস্তারিত বর্ননা।

  কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বিস্তারিত বর্ননা : কম্পিউটার হচ্ছে এমন এক অত্যাশ্চর্য ক্ষমতাসম্পন্ন যন্ত্র, যার মাধ্যমে মানবজীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রায় সকল সমস্যার সমাধান করা যায়। সমস্যা সমাধানের জন্য এক্ষেত্রে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। হার্ডওয়্যার হচ্ছে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আর সফটওয়্যার হচ্ছে সে-সব যন্ত্রাংশ চালাবার জন্য লেখা নির্দিষ্ট সংকেত বা কোড। হার্ডওয়্যার কীভাবে কী করবে, সেটি নির্ধারণ করে সফটওয়্যার, যাকে আমরা কম্পিউটার প্রােগ্রামও বলে থাকি। কম্পিউটার প্রােগ্রাম হচ্ছে এক বিশেষ ধরনের ভাষায় লেখা সংকেত, যেগুলো সাজানাে থাকে এমনভাবে যাতে করে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সহজেই বুঝতে পারে তাকে ঠিক কোনাে কাজটা কীভাবে করতে হবে। পৃথিবীতে মানুষের সাথে মানুষের যােগাযােগের জন্য যেমন অনেক ভাষা আছে, তেমনিকম্পিউটারের জগতেও অনেক ভাষা আছে, যেগুলােকে প্রােগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বলে। যেমন-  সি, সি++, জাভা, পাইথন, পিএইচপি,ভিজুয়াল বেসিক, জাভা, সি শার্প, পার্ল, পিএইচপি, পাইথন, রুবি ইত্যাদি। এসব ভাষার যে-কোনাে একটি বেছে নিয়ে সেই ভাষার নিয়মকানুন মেনে ঠি...

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ব্যাবহার ও মানুষের জীবনে এর প্রভাব।

  বিভিন্ন সংখ্যা পদ্ধতির প্রয়ােগ : আমরা দৈনন্দিন জীবনে Decimal সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করি। এই পদ্ধতিতে ০ থেকে সংখ্যাকে প্রকাশ করা যায়। এই দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি বেশ ভালই এবং ব্যবহার করাও সহজ, তবে অনুপযুক্ত। এর কারণ হল Digital circuit মাত্র দুই ধরনের ভৌত অবস্থার মধ্যে থাকে (1) ON এবং (0) OFF অথবা High এবং Low অর্থাৎ Logic সুতরাং Digital circuit-গুলাে এই দুই অবস্থায় অর্থাৎ বাইনারি পদ্ধতিতে কাজ করে। আবার বাইনারিতে প্রকাশিত সংখ্যাকে সংক্ষিপ্তরূপে ডিজিটাল কম্পিউটারের ব্যবহারােপযােগী করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। বাইনারি সংখ্যার মতাে অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা ডিজিটাল পদ্ধতিতে ব্যবহৃত হয়। কারণ অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিতে বড় আকৃতির বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করতে সুবিধাজনক এবং পরস্পর রূপান্তরও সহজতর । ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাইনারি, অক্টাল, হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতি একই সময়ে একত্রে ব্যবহার করা যায়। কম্পিউটার, ক্যালকুলেটর ও অন্যান্য ডিজিটাল সার্কিটসমূহে ডেসিমেল, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রয়ােগ :   অত্যধিক হওয়ায় টেকনিশিয়ান, ইঞ্জিনিয়ার এবং ...